মূল বিষয়ে যান
সর্বশেষ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

Bangladesh Jamaat-E-Islami (BJEI)

মোট আসন৭৭
নির্বাচিত৬৮
সংরক্ষিত

দলের পরিচিতি

দেশের সবচেয়ে বড় ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দল, বর্তমান রূপে ১৯৭৯ সালে গঠিত। ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর থেকে জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল। ত্রয়োদশ সংসদে দলটির সদস্য ৭৭ জন।

দলটির উৎস ১৯৪১ সালে সৈয়দ আবুল আলা মওদুদীর প্রতিষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামী। ১৯৭১ সালে এর পূর্বসূরি জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করে পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষ নেয়। স্বাধীনতার পর ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ হলে এর নেতাকর্মীরা কিছুদিন ইসলামিক ডেমোক্রেটিক লীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন; ১৯৭৯ সালের ২৭ মে ঢাকার হোটেল ইডেনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নামে দলটি আত্মপ্রকাশ করে, ভারপ্রাপ্ত আমির হন আব্বাস আলী খান।

১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থান ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবির আন্দোলনে দলটি অংশ নেয়; ২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট সরকারে এর দুজন নেতা মন্ত্রী হন। ২০০৯ সালের পর ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধের মামলায় দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতার বিচার হয়, ২০১৩ সালে হাইকোর্টের রায়ে নিবন্ধন অবৈধ ঘোষিত হয় এবং ২০২৪ সালের ১ আগস্ট সরকার দলটিকে নিষিদ্ধ করে। জুলাই অভ্যুত্থানের পর ২৮ আগস্ট ২০২৪ সেই নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়, আর ২০২৫ সালের ১ জুন আপিল বিভাগের রায়ের পর নিবন্ধন ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ফিরে আসে।

ত্রয়োদশ সংসদে

৩০০টি নির্বাচনী আসনের মধ্যে ৬৮টি এখন দলটির; সংরক্ষিত নারী আসন যোগ করে সংসদে দলের মোট সদস্য ৭৭ জন। বিরোধীদলীয় নেতা এই দলের। দলের সব সদস্যের তালিকা ও আসন নিচে।

সূত্র: বাংলা উইকিপিডিয়া, ইংরেজি উইকিপিডিয়া (দলের ইতিহাস); বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ (বর্তমান সদস্য ও পদ)। সর্বশেষ যাচাই ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দলপ্রধান, আমিরশফিকুর রহমানবিরোধীদলীয় নেতাঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য

এক নজরে

প্রতিষ্ঠা
২৭ মে ১৯৭৯
প্রতিষ্ঠাতা
আব্বাস আলী খান
নির্বাচনী প্রতীক
দাঁড়িপাল্লা
সেক্রেটারি জেনারেল
মিয়া গোলাম পরওয়ার
প্রধান কার্যালয়
৫০৫ এলিফ্যান্ট রোড, মগবাজার, ঢাকা
ওয়েবসাইট
jamaat-e-islami.org

আসন থেকে নির্বাচিত (৬৮)

আরও ৫৬ জন দেখুন

সংরক্ষিত নারী আসন ()

দলের লোগো: উইকিমিডিয়া কমন্স, পাবলিক ডোমেইন

কোথা থেকে তথ্য আসে

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট ও সংসদ সচিবালয়ের প্রজ্ঞাপন, নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্য; ভোটের ফল ও দলের ইতিহাসের মতো বাকি তথ্যের সূত্র প্রতিটি পাতায় লেখা। কোনো তথ্য অনুমান করে বসানো হয় না।

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতিদিন। সংসদের নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি ও কমিটির পরিবর্তন প্রকাশের পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম আরও ঘন ঘন।

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়।