মূল বিষয়ে যান
সর্বশেষ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বি.এন.পি)

Bangladesh Nationalist Party (BNP)

মোট আসন২৪৬
নির্বাচিত২১০
সংরক্ষিত৩৬

দলের পরিচিতি

জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল, পাঁচবার জাতীয় নির্বাচনে জয়ী এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর থেকে সরকারে। ত্রয়োদশ সংসদে দলটির সদস্য ২৪৬ জন।

তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকার রমনা রেস্তোরাঁয় এক সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণাপত্র পড়ে দলটির যাত্রা শুরু করেন। এর কয়েক দিন আগে তাঁর সমর্থনে গড়া জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) বিলুপ্ত হয়ে নতুন দলে মিশে যায়। প্রথম মহাসচিব ছিলেন অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।

১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর খালেদা জিয়া দলের হাল ধরেন এবং ১৯৮৩ সাল থেকে নেতৃত্ব দেন; তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। ২০১৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তারেক রহমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন; ২০২৫ সালে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর তিনি চেয়ারম্যান হন এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসন থেকে জয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।

দলটি ১৯৭৯, ১৯৯১, ১৯৯৬ (ফেব্রুয়ারি), ২০০১ ও ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হয়। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর গঠিত সরকার অল্প কিছুদিন টিকেছিল। ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে দলটি হয় হেরেছে, নয় অংশ নেয়নি।

ত্রয়োদশ সংসদে

৩০০টি নির্বাচনী আসনের মধ্যে ২১০টি এখন দলটির; সংরক্ষিত নারী আসন যোগ করে সংসদে দলের মোট সদস্য ২৪৬ জন, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ১৭৬-এর অনেক বেশি। স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ও সংসদ নেতা তিনজনই এই দলের। দলের সব সদস্যের তালিকা ও আসন নিচে।

সূত্র: বাংলা উইকিপিডিয়া, ইংরেজি উইকিপিডিয়া (দলের ইতিহাস); বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ (বর্তমান সদস্য ও পদ)। সর্বশেষ যাচাই ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দলপ্রধান, চেয়ারম্যানতারেক রহমানপ্রধানমন্ত্রীসংসদ নেতাঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য

এক নজরে

প্রতিষ্ঠা
১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮
প্রতিষ্ঠাতা
জিয়াউর রহমান
নির্বাচনী প্রতীক
ধানের শীষ
মহাসচিব (ভারপ্রাপ্ত)
রুহুল কবির রিজভী
প্রধান কার্যালয়
২৮/১ নয়াপল্টন, ঢাকা
ওয়েবসাইট
bnpbd.org

আসন থেকে নির্বাচিত (২১০)

আরও ১৯৮ জন দেখুন

সংরক্ষিত নারী আসন (৩৬)

আরও ২৪ জন দেখুন

দলের লোগো: উইকিমিডিয়া কমন্স, CC0

কোথা থেকে তথ্য আসে

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট ও সংসদ সচিবালয়ের প্রজ্ঞাপন, নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্য; ভোটের ফল ও দলের ইতিহাসের মতো বাকি তথ্যের সূত্র প্রতিটি পাতায় লেখা। কোনো তথ্য অনুমান করে বসানো হয় না।

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতিদিন। সংসদের নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি ও কমিটির পরিবর্তন প্রকাশের পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম আরও ঘন ঘন।

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়।