খেলাফত মজলিস
Khilafat Majlis
দলের পরিচিতি
১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত খেলাফত মজলিসের যে অংশ ২০০৫ সালে বিএনপির জোটে থেকে যায়, সেটিই আজকের খেলাফত মজলিস। ২০২৬ সালের নির্বাচনে একটি আসনে জেতে। ত্রয়োদশ সংসদে দলটির সদস্য ১ জন।
১৯৮৯ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার আইইবি মিলনায়তনে এক জাতীয় সম্মেলনে খেলাফত মজলিসের আত্মপ্রকাশ; শায়খুল হাদিস আজিজুল হকের নেতৃত্বে আহমদ আবদুল কাদেরের ইসলামী যুব শিবির, ন্যাপের একাংশ ও তমদ্দুন মজলিসের নেতারা এতে যুক্ত হন। ১৯৯০ সালের এরশাদবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানে দলটি অংশ নেয়।
২০০৫ সালে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটে থাকা নিয়ে দলটি দুই ভাগ হয়; জোটে থাকা অংশে আমির হন মুহাম্মদ ইসহাক ও মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের, আর এই অংশটিই খেলাফত মজলিস নামে চলছে। দলটি ২০০৮ সালে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হয়, ২২ বছর বিএনপির জোটে থাকার পর ২০২১ সালে জোট ছাড়ে এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শরিক হিসেবে একটি আসনে জেতে।
ত্রয়োদশ সংসদে
৩০০টি নির্বাচনী আসনের মধ্যে ১টি এখন দলটির। দলের সব সদস্যের তালিকা ও আসন নিচে।
সূত্র: বাংলা উইকিপিডিয়া, ইংরেজি উইকিপিডিয়া (দলের ইতিহাস); বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ (বর্তমান সদস্য ও পদ)। সর্বশেষ যাচাই ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
এক নজরে
- প্রতিষ্ঠা
- ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৯
- প্রতিষ্ঠাতা
- শায়খুল হাদিস আজিজুল হক
- নির্বাচনী প্রতীক
- দেয়াল ঘড়ি
- মহাসচিব
- আহমদ আবদুল কাদের
আসন থেকে নির্বাচিত (১)
দলের লোগো: উইকিমিডিয়া কমন্স, Emad.najid, CC BY 4.0
